খোলস পাল্টালেও রয়েছে ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট
চট্টগ্রাম সিআরবিতে ছাত্রদের উপর হামলা করেও অনুতপ্ত নয় তারা। সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে সেই সময়ের অনেক ঘটনায় ঘুরছে-ফিরছে। সেসব উপেক্ষা করে ফ্যাসিবাদী কিংবা দুর্নীতিবাজ হটাও আন্দোলনের নামে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতাল-কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভয়ে নাম গোপন রেখে হাসপাতালের কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হাসপাতালে সেবার কর্মসূচি বাদ দিয়ে সাধারন কর্মচারীদের সামনে রেখে পেছন থেকে কিছু সংখ্যক অসাধু কর্মচারী ও কর্মকর্তা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে বিভিন্ন সময় নানা অনৈতিক কর্মকান্ড করে যাচ্ছেন। আন্দোলনের মূল উদ্দশ্য ফ্যাসিবাদী কিংবা দূর্নীতিবাজ হটাও হলেও এখন ব্যক্তিগত সুবিধা নেয়াটাই তাদের লক্ষ্য হয়ে গেছে। শুধু তাই নয় আন্দোলনে নেতৃত্ব যারা রয়েছে তাদের নিয়ে বিভিন্ন মহলে চলছে সমালোচনা কারন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে ফ্যাসিবাদের দোসররাই। আন্দোলনকারীদের মধ্যে গত ৫ আগষ্টের ছাত্র আন্দোলনে বাধাপ্রধানকারী ও চট্টগ্রাম সিআরবিতে ছাত্রদের উপর হামলাকারীদের কয়েকজন রয়েছে। এদের মধ্যে শাওন হোসেন চট্টগ্রাম বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক। সহোযোগী রবিউলকে নিয়ে তিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের হামলাকারী। তিনি চট্টগ্রামে সিআরবি ডাবল মার্ডার আসামি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল আলম লিমনের ঘনিষ্ঠ ভাজন,তার নাম ভাঙ্গিয়েও আওয়ামী লীগ শাসনামলে করেছে চাঁদাবাজি ও লুটপাট। সেই শাওন কিভাবে ডায়াবেটিস হাসপাতালে ফ্যাসিবাদীদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মূল হোতা হয় এই নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে তার বিভিন্ন পোস্টের স্ক্রিন শট প্রকাশ করে।

অভিযোগ রয়েছে, আন্দোলনের খোলস ব্যবহার করে নারী ডাক্তার ও সেবিকাদের হয়রানি করতে রিপা,পপি, রুমা ও প্রিয়াসহ তার রয়েছে বেশ কয়েকজন নারী সহযোগী। এছাড়াও আন্দোলনের নেতৃত্বের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা চলছে তাদের মধ্যে রবিউল হোসেন, হাবীব,খসরু, সুজন ইসহাকসহ আরো অনেকেই ৫ আগষ্টের পর দূর্নীতিবাজের খোলস পাল্টে হয়ে গেছেন দূর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী।
এ বিষয়ে নগরীর নবনিযুক্ত মেয়র ডা. শাহাদাতসহ চট্টগ্রাম প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর সহায়তা কামনা করেন হাসপাতালটির সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীরা। তাদের দাবী, আন্দোলনের আড়ালে যেনো সুযোগ সন্ধানীরা সুযোগ না পায় এবং এক অপরাধের বিরুদ্ধে অন্য অপরাধীরা বহাল তবিয়তে খোলস পাল্টানোর সুযোগ না পায়।







